২১ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
🏛️ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) অফিসিয়াল নিয়ম 📅 সর্বশেষ আপডেট: ১৮ আগস্ট, ২০২৬

ডিপ্লোমা সিজিপিএ ক্যালকুলেটর বাংলাদেশ (BTEB কারিগরি বোর্ড)

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (BTEB) অফিশিয়াল ৮-সেমিস্টার ক্রেডিট ওয়েটেজ ফর্মুলা (১ম থেকে ৮ম সেমিস্টার) অনুযায়ী পলিটেকনিকের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সিজিপিএ মুহূর্তেই হিসাব করুন।

⚙️ BTEB অফিশিয়াল ৮-সেমিস্টার ওয়েটেজ
🎓 সকল পলিটেকনিক ও টেকনোলজি সমর্থিত
💚 ১০০% ফ্রি সেবা
ইনস্ট্যান্ট সিজিপিএ পয়েন্ট বিশ্লেষণ
৮টি সেমিস্টার ওয়েটেজ
BTEB কারিগরি শিক্ষা বোর্ড
২৫+ টেকনোলজি ও ট্রেড
২৪/৭ সম্পূর্ণ ফ্রি সেবা

শিক্ষার্থী ও পলিটেকনিক তথ্য

আপনার নাম, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও টেকনোলজি নির্বাচন করুন

৮-সেমিস্টার জিপিএ ইনপুট টেবিল

কারিগরি বোর্ডের অফিশিয়াল সেমিস্টার ওয়েটেজ শতাংশ অনুযায়ী পয়েন্ট লিখুন
BTEB Official
💡
"ওয়েটেজ (Weightage)" আসলে কী?

BTEB নিয়ম অনুযায়ী সকল সেমিস্টারের গুরুত্ব সমান নয়। CGPA হিসাবের সময় ১ম, ২য় ও ৩য় সেমিস্টার ৫% করে, ৪র্থ সেমিস্টার ১০%, ৫ম সেমিস্টার ১৫%, ৬ষ্ঠ সেমিস্টার ২০%, ৭ম সেমিস্টার ২৫% এবং ৮ম সেমিস্টার (ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং) ১৫% অবদান রাখে। এই শতাংশকেই ওয়েটেজ (Weightage) বলা হয়।

# সেমিস্টার (Semester Name) BTEB ওয়েটেজ (Weight) প্রাপ্ত জিপিএ (GPA 4.00) ওয়েটেড পয়েন্ট (Weighted GP)
1st Semester (১ম সেমিস্টার) 5% (0.05) 0.200
2nd Semester (২য় সেমিস্টার) 5% (0.05) 0.200
3rd Semester (৩য় সেমিস্টার) 5% (0.05) 0.200
4th Semester (৪র্থ সেমিস্টার) 10% (0.10) 0.400
5th Semester (৫ম সেমিস্টার) 15% (0.15) 0.600
6th Semester (৬ষ্ঠ সেমিস্টার) 20% (0.20) 0.800
7th Semester (৭ম সেমিস্টার) 25% (0.25) 1.000
8th Semester (৮ম ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং) 15% (0.15) 0.600
💡 BTEB CGPA Formula: Sum of (Semester GPA × Semester Weighting)
Total: 100% Weight

টার্গেট সিজিপিএ ইমপ্রুভমেন্ট ক্যালকুলেটর

কাঙ্ক্ষিত সিজিপিএ পেতে অবশিষ্ট সেমিস্টারগুলোতে কত জিপিএ প্রয়োজন তা হিসাব করুন
অবশিষ্ট সেমিস্টারে প্রয়োজনীয় গড় জিপিএ: 3.50 / 4.00

📊 BTEB Grading Scale (কারিগরি বোর্ড)

80-100% (A+) 4.00
75-79% (A) 3.75
70-74% (A-) 3.50
65-69% (B+) 3.25
60-64% (B) 3.00
55-59% (B-) 2.75
50-54% (C+) 2.50
45-49% (C) 2.25
40-44% (D) 2.00
00-39% (F) 0.00
📚 বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) নির্দেশিকা

ডিপ্লোমা সিজিপিএ ক্যালকুলেটর বাংলাদেশ (BTEB)

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) এর অধীনে অধ্যয়নরত পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের জন্য সিজিপিএ হিসাবের পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য অফিশিয়াল নির্দেশিকা।

💡

এক নজরে মূল বিষয়সূচি (Key Takeaways):

  • ✓ BTEB-এর অধীনে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ৮টি সেমিস্টারে বিভক্ত।
  • ✓ ১-৩য় সেমিস্টার ৫% করে, ৪থ সেমিস্টার ১০%, ৫ম ১৫%, ৬ষ্ঠ ২০%, ৭ম ২৫% ও ৮ম সেমিস্টার ১৫% ওয়েটেজ ধারণ করে।
  • ✓ কারিগরি শিক্ষায় সিজিপিএ স্কেল হলো ৪.০০ (Out of 4.00)।
  • ✓ DUET বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩.০০ সিজিপিএ প্রয়োজন।
  • ✓ ৮ম সেমিস্টার ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং চূড়ান্ত সিজিপিএ বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে।
  • ✓ Toolstrem ক্যালকুলেটর ১০০% ফ্রি ও সকল ডিপ্লোমা টেকনোলজির জন্য উপযোগী।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) এর অধীনে অধ্যয়নরত লক্ষাধিক পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর জন্য CGPA একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক সূচক। আপনি যদি Computer, Civil, Electrical, Electronics, Mechanical, Power, Architecture, Automobile, Textile বা অন্য কোনো ডিপ্লোমা টেকনোলজির শিক্ষার্থী হন, তাহলে আপনার CGPA ভবিষ্যতের উচ্চশিক্ষা, চাকরি এবং ক্যারিয়ার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অনেক শিক্ষার্থী সেমিস্টারের GPA জানলেও তাদের সামগ্রিক CGPA কত হচ্ছে তা দ্রুত হিসাব করতে পারেন না। এজন্যই Toolstrem Diploma CGPA Calculator তৈরি করা হয়েছে, যা বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের গ্রেডিং পদ্ধতি অনুসরণ করে দ্রুত এবং সহজভাবে CGPA হিসাব করতে সাহায্য করে।


CGPA কী?

CGPA এর পূর্ণরূপ হলো Cumulative Grade Point Average। এটি আপনার সম্পূর্ণ ডিপ্লোমা কোর্সের সামগ্রিক একাডেমিক ফলাফল নির্দেশ করে।

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে সাধারণত ৮টি সেমিস্টার থাকে। প্রতিটি সেমিস্টারে প্রাপ্ত GPA একত্রে বিবেচনা করে চূড়ান্ত CGPA নির্ধারণ করা হয়।

সহজভাবে বলতে গেলে:
  • GPA = একটি নির্দিষ্ট সেমিস্টারের ফলাফল
  • CGPA = সকল সেমিস্টারের সম্মিলিত ফলাফল

এই কারণে CGPA আপনার দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক পারফরম্যান্সের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে।

Diploma CGPA Calculator কী?

Diploma CGPA Calculator হলো একটি বিশেষায়িত অনলাইন টুল যা আপনার বিভিন্ন সেমিস্টারের GPA ইনপুট নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল নিয়মে CGPA হিসাব করে।

এই ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে আপনি:

  • ✓ বর্তমান সামগ্রিক CGPA জানতে পারবেন।
  • ✓ প্রতিটি সেমিস্টারের পারফরম্যান্স ও ওয়েটেড পয়েন্ট বিশ্লেষণ করতে পারবেন।
  • ✓ ভবিষ্যৎ সেমিস্টারের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারবেন।
  • ✓ উচ্চশিক্ষার (যেমন DUET বা BSc Engineering) প্রস্তুতি মূল্যায়ন করতে পারবেন।
  • ✓ সরকারি ও বেসরকারি চাকরির জন্য নিজের একাডেমিক অবস্থান বুঝতে পারবেন।

BTEB CGPA কিভাবে হিসাব করা হয়?

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে CGPA নির্ধারণের জন্য প্রতিটি সেমিস্টারের GPA বিবেচনা করা হয় এবং সেমিস্টার অনুযায়ী ওয়েটেজ গুণ করা হয়।

💡
"ওয়েটেজ (Weightage)" আসলে কী?

BTEB নিয়ম অনুযায়ী সকল সেমিস্টারের গুরুত্ব সমান নয়। CGPA হিসাবের সময় ১ম, ২য় ও ৩য় সেমিস্টার ৫% করে, ৪র্থ সেমিস্টার ১০%, ৫ম সেমিস্টার ১৫%, ৬ষ্ঠ সেমিস্টার ২০%, ৭ম সেমিস্টার ২৫% এবং ৮ম সেমিস্টার (ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং) ১৫% অবদান রাখে। এই শতাংশকেই ওয়েটেজ (Weightage) বলা হয়।

উদাহরণ সেমিস্টার জিপিএ তালিকা:
Semester Name Obtained GPA BTEB Credit Weight Weighted Point
1st Semester3.505% (0.05)0.175
2nd Semester3.755% (0.05)0.1875
3rd Semester3.805% (0.05)0.190
4th Semester3.6510% (0.10)0.365
5th Semester3.9015% (0.15)0.585
6th Semester3.8520% (0.20)0.770
7th Semester3.9525% (0.25)0.9875
8th Semester4.0015% (0.15)0.600
চূড়ান্ত সিজিপিএ (Calculated Cumulative CGPA): 3.86 (First Class Distinction)

এই GPA গুলোর ভিত্তিতে সামগ্রিক CGPA গণনা করা হয়। Toolstrem Diploma CGPA Calculator এই পুরো প্রক্রিয়া কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সম্পন্ন করতে পারে।

BTEB গ্রেডিং সিস্টেম

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে প্রচলিত অফিশিয়াল গ্রেডিং স্কেল নিচে দেওয়া হলো:

নম্বর সীমা (Marks) লেটার গ্রেড (Grade) গ্রেড পয়েন্ট (GPA)
80-100%A+4.00
75-79%A3.75
70-74%A-3.50
65-69%B+3.25
60-64%B3.00
55-59%B-2.75
50-54%C+2.50
45-49%C2.25
40-44%D2.00
0-39%F0.00

এই গ্রেডিং স্কেল অনুযায়ী আপনার সেমিস্টার GPA এবং চূড়ান্ত CGPA নির্ধারণ করা হয়।

ভালো CGPA কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অনেক শিক্ষার্থী মনে করেন শুধুমাত্র পাশ করাই যথেষ্ট। বাস্তবে ভালো CGPA ভবিষ্যতে অনেক সুযোগ তৈরি করে।

১. চাকরির সুযোগ বৃদ্ধি

সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনেক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ভালো একাডেমিক ফলাফলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

২. BSc Engineering-এ ভর্তি

ডিপ্লোমা শেষ করার পর DUET বা অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে BSc Engineering করতে চাইলে ভালো CGPA আপনার জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করবে।

৩. বিদেশে উচ্চশিক্ষা

বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার বা উচ্চশিক্ষায় আবেদনের সময় CGPA অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।

৪. স্কলারশিপ ও বৃত্তি

অনেক সরকারি ও বেসরকারি বৃত্তি কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের মেধাভিত্তিক নির্বাচন CGPA-এর ভিত্তিতে করা হয়।

সকল ডিপ্লোমা টেকনোলজির জন্য সমর্থিত

এই ক্যালকুলেটর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত সকল ডিপ্লোমা টেকনোলজি ও ট্রেইডের জন্য ১০০% সামঞ্জস্যপূর্ণ।

Engineering Technologies

  • • Computer Technology (CMT)
  • • Civil Technology
  • • Electrical Technology (EEE)
  • • Electronics Technology
  • • Mechanical Technology
  • • Power Technology
  • • Architecture Technology
  • • Automobile Technology
  • • Telecommunication Technology
  • • Refrigeration & Air Conditioning (RAC)

Industrial & Agriculture Technologies

  • • Textile Technology
  • • Food Technology
  • • Chemical Technology
  • • Environmental Technology
  • • Construction Technology
  • • Surveying & Mining Technology
  • • Marine Technology
  • • Agriculture & Fisheries Technology
  • • Livestock & Forestry Technology
  • • Tourism & Garments Design

CGPA উন্নত করার কার্যকর উপায়

১. নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকুন

পলিটেকনিক শিক্ষায় থিওরি ও প্র্যাকটিক্যাল উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ক্লাস করলে বিষয়গুলো ভালোভাবে বোঝা যায়।

২. ল্যাব ক্লাসকে গুরুত্ব দিন

অনেক শিক্ষার্থী শুধু লিখিত পরীক্ষার দিকে মনোযোগ দেয়। কিন্তু ডিপ্লোমা শিক্ষায় ল্যাব পারফরম্যান্সও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩. সময় ব্যবস্থাপনা শিখুন

সেমিস্টারের শুরু থেকেই পরিকল্পনা করে পড়াশোনা করলে পরীক্ষার আগে অতিরিক্ত চাপ কমে যায়।

৪. দুর্বল বিষয় চিহ্নিত করুন

যেসব বিষয়ে পূর্ববর্তী সেমিস্টারে GPA কম এসেছে, সেগুলোর উপর শুরু থেকেই বেশি সময় ব্যয় করুন।

৫. পুরনো প্রশ্ন সমাধান করুন

পূর্ববর্তী বছরের কারিগরি বোর্ডের বোর্ড প্রশ্ন অনুশীলন করলে পরীক্ষার প্যাটার্ন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।

৬. গ্রুপ স্টাডি করুন

সহপাঠীদের সাথে নিয়মিত আলোচনা করে পড়াশোনা করলে কঠিন গাণিতিক টপিকগুলো সহজে আয়ত্ত করা যায়।

শিক্ষার্থীদের সাধারণ ভুল

অনেক শিক্ষার্থী কিছু অসচেতনতার কারণে প্রত্যাশিত CGPA অর্জন করতে পারে না।

  • ক্লাস মিস করা: নিয়মিত ক্লাস না করলে বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সাজেশন ও ল্যাব ডেমোনস্ট্রেশন মিস হয়ে যায়।
  • ল্যাব রিপোর্ট অবহেলা করা: ল্যাব রিপোর্ট সময়মতো জমা না দিয়ে প্র্যাকটিক্যাল নম্বর হারানো একটি সাধারণ ভুল।
  • শেষ মুহূর্তে পড়াশোনা: পরীক্ষার মাত্র ১-২ দিন আগে পুরো সিলেবাস একসাথে পড়ার চেষ্টা করলে রেজাল্ট খারাপ হতে পারে।
  • সময় নষ্ট করা: সোশ্যাল মিডিয়া ও অপ্রয়োজনীয় কাজে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করলে একাডেমিক মনোযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  • GPA ট্র্যাক না করা: প্রতিটি সেমিস্টারের পারফরম্যান্স ও প্রয়োজনীয় পয়েন্ট নিয়মিত পর্যবেক্ষণ না করা।

Diploma CGPA Calculator ব্যবহারের সুবিধা

দ্রুত ও নিখুঁত CGPA হিসাব করা যায়
📐 কোনো জটিল গাণিতিক সূত্র মুখস্থ করতে হয় না
📱 মোবাইল, ট্যাবলেট ও কম্পিউটারে সহজে ব্যবহারযোগ্য
💚 সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ
🏛️ অফিশিয়াল BTEB গ্রেডিং স্কেল সমর্থিত
📊 সকল ডিপ্লোমা টেকনোলজির জন্য উপযোগী

কারা এই ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন?

  • 🏛️ সকল সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী
  • 🏫 সকল বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী
  • ⚙️ BTEB অধিভুক্ত যেকোনো কারিগরি ও মনোটেকনিক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী
  • 🎓 ডিপ্লোমা সম্পন্ন শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটগণ
  • 📚 BSc Engineering (DUET / Private University)-এ ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থী
  • 💼 চাকরি প্রার্থী ডিপ্লোমা গ্র্যাজুয়েট ও ইঞ্জিনিয়ারগণ

CGPA লক্ষ্য নির্ধারণ কেন জরুরি?

একজন শিক্ষার্থী যদি জানেন তার বর্তমান CGPA 3.40, তাহলে তিনি পরবর্তী সেমিস্টারে কত GPA অর্জন করলে 3.50 বা 3.75 CGPA-তে পৌঁছাতে পারবেন তা আগে থেকেই গাণিতিকভাবে পরিকল্পনা করতে পারবেন।

Toolstrem ক্যালকুলেটরের Target CGPA Improvement Calculator অপশনটি শিক্ষার্থীদের লক্ষ্যভিত্তিক পড়ালেখা ও প্রস্তুতি গ্রহণে বিশেষ সহায়তা করে।

ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে CGPA-এর প্রভাব

যদিও বাস্তব দক্ষতা, প্র্যাকটিক্যাল জ্ঞান এবং কাজের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবুও ভালো CGPA একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের প্রাথমিক যোগ্যতা প্রমাণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

ভালো CGPA-এর প্রধান সুবিধা:
  • • সরকারি ও বেসরকারি চাকরির প্রাথমিক আবেদনকে শক্তিশালী করে।
  • • DUET ও দেশ-বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করে।
  • • সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে স্কলারশিপ বা রিফান্ড সুবিধা পেতে সহায়তা করে।
  • • ভাইভা বোর্ডে পরীক্ষকের কাছে আপনার একাডেমিক শৃঙ্খলা প্রমাণ করে।

🔗 অন্যান্য সম্পর্কিত একাডেমিক টুলস:

উপসংহার

ডিপ্লোমা শিক্ষাজীবনে CGPA শুধু একটি সংখ্যা নয়; এটি আপনার অধ্যবসায়, দক্ষতা এবং একাডেমিক অর্জনের প্রতিফলন। তাই শুরু থেকেই প্রতিটি সেমিস্টারে ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য পরিকল্পিতভাবে পড়াশোনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

Toolstrem Diploma CGPA Calculator ব্যবহার করে আপনি সহজেই আপনার বর্তমান CGPA জানতে পারবেন, ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারবেন এবং নিজের একাডেমিক অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে পারবেন। নিয়মিত CGPA পর্যবেক্ষণ করলে উন্নতির ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করা সহজ হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হয়।

📌
অফিসিয়াল ডিসক্লেইমার ও কারিগরি বোর্ড তথ্য উৎস

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (BTEB) প্রবিধানের অফিশিয়াল সেমিস্টার ওয়েটেজ গাইডলাইন অনুযায়ী অ্যালগরিদমটি সংকলিত। সকল ডিপ্লোমা শিক্ষার্থী তাদের সেমিস্টার গ্রেড পয়েন্ট প্রবেশ করে নির্ভুল সিজিপিএ পেতে পারেন।

✅ BTEB প্রবিধান অনুযায়ী যাচাইকৃত 🕒 সর্বশেষ আপডেট: ১৮ আগস্ট, ২০২৬ 🔒 ১০০% ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত
❓ সাধারণত জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (১৫টি প্রশ্ন)

ডিপ্লোমা সিজিপিএ ও কারিগরি বোর্ড সংক্রান্ত ১৫টি প্রশ্ন ও উত্তর

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল সেমিস্টার ওয়েটেজ অনুযায়ী নির্ভরযোগ্য উত্তর:

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (BTEB) নিয়ম অনুযায়ী ১ম থেকে ৮ম সেমিস্টার পর্যন্ত নির্দিষ্ট ওয়েটেজ (১ম-৩য়: ৫% করে, ৪র্থ: ১০%, ১ম-৩য়: ৫%, ৪র্থ: ১০%, ৫ম: ১৫%, ৬ষ্ঠ: ২০%, ৭ম: ২৫%, ৮ম: ১৫%) গুণ করে মোট যোগফল বের করে সিজিপিএ হিসাব করা হয়।
BTEB প্রবিধান অনুসারে ১ম সেমিস্টার ৫%, ২য় সেমিস্টার ৫%, ৩য় সেমিস্টার ৫%, ৪র্থ সেমিস্টার ১০%, ৫ম সেমিস্টার ১৫%, ৬ষ্ঠ সেমিস্টার ২০%, ৭ম সেমিস্টার ২৫% এবং ৮ম সেমিস্টার (ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং) ১৫% ওয়েটেজ ধারণ করে।
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (DUET) এ বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের জন্য ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ন্যূনতম ৩.০০ বা তার বেশি সিজিপিএ থাকা বাধ্যতামূলক।
BTEB বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী সিজিপিএ ৩.০০ থেকে ৩.৭৪ পেলে ১ম শ্রেণি (First Class) এবং ৩.৭৫ থেকে ৪.০০ পেলে First Class Distinction দেওয়া হয়।
৮ম সেমিস্টার হলো পূর্ণ প্র্যাকটিক্যাল শিল্প সংযুক্তি যা ১৫% ওয়েটেজ বহন করে। এখানে ৪.০০ পয়েন্ট নিশ্চিত করতে পারলে সিজিপিএ অনেক বৃদ্ধি পায়।